চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার উপায়

 

চোখের নিচে কালো দাগ নিয়ে  আপনার সব সমস্যার সমাধান । আলুর রস,শসা টুকরো, গ্রী টি ব্যাগ,নারকেল তেল,গোলাপ জল,মধু ও লেবু এসব ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি আপনার চোখের নিচে কালো দাগ কমাতে পারেন সাথে রাতে পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে,ভিটামিন সি যুক্ত ফল খেতে হবএ ও প্রতি দিন প্রায় দুই থেকে আরাই লিটার পানি পান করুন।এসব উপাদান গুলো দিয়ে কি ভাবে চোখের নিচে কালো দাগ দূর করবেন তা নিচে বিস্তারিত বলা আছে।

চোখের-নিচে-কালো-দাগ-দূর-করার-উপায়

পর্যাপ্ত পরিমান ঘুম না হওয়ার জন্য আমাদের চোখের নিচে কালো দাগ পরে। কর্মজীবনে আমরা সবাই যে যার মতো ব্যাস্ত ও টেনশনে আমাদের ঠিক মতো ঘুম হয় না। রাতে পর্যাপ্ত পরিমান ঘুমাতে হবে এছারা কিছু ক্রিম বা ঘরোয়া উপায় কিছু উপাদান দিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে ব্যবহার করলে চোখের নিচে কালো দাগ দূর হবে।চোখের নিচে কালো দাগ যা আমাদের চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয় ,ছোট বড় সবাই চায় তাকে সুন্দর দেখাক।তাই নিজের ত্বকের প্রতি যত্নবান হওয়া উচিত।

পেজ সূচিপত্র ঃ চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার উপায় ।

চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার উপায়

চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার জন্য কাঁচা আলুর রস অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। কাঁচাল রসে রয়েছে ভিটামিন সি ভিটামিন কে ও প্রাকৃতিক ব্লিচিং এজেন্ট যা আমাদের চোখের নিচে কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় প্রাকৃতিকভাবে। একটি মাঝারি সাইজের আলো নিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে, আলুটাকে পেস্ট করে এক চা চামচ রস বের করে নিন এবং এর সাথে শসা পেস্ট করে শসার এক্স চা চামচ রস নিন। এই দুটি উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে আপনার চোখের নিচে তুলোর সাহায্যে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। দশ থেকে বিশ মিনিট রাখার পর ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

চোখের নিচে কালো দাগ কমানোর আরো একটি সহজ উপায় হলো গ্রিন টি ব্যাগ। প্রথমে দুটি গ্রিন টি ব্যাগ নিন এবং এক কাপ গরম পানিতে চার থেকে পাঁচ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপরে টি ব্যাগগুলো পানি থেকে তুলে হালকাভাবে চেপে পানি নিংড়ে নিন। টি ব্যাগগুলো একটি বাটিতে রেখে ১৫ থেকে ২০  মিনিটের জন্য ফ্রিজে রেখে দিন। চোখ দুটি বন্ধ করে চোখের নিচে যেখানে কালো দাগ সেই জায়গায় ঠান্ডা টি ব্যাগ দুটি দিয়ে রাখুন বা হালকা মেসেজ করুন। এভাবে দশ থেকে বিশ মিনিট রাখার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এটি নিয়মিত ব্যবহার করলে আপনার চোখের নিচে কালো দাগ ধীরে ধীরে কমে যাবে।
এক চা চামচ খাঁটি ভালো মানের নারিকেল তেল ও পাঁচ থেকে ছয় ফোটা গোলাপজল একটি পরিষ্কার বাটিতে নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। মুখ ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। এরপর নারকেল তেল ও গোলাপজল মিশ্রণ টি হাতের আঙ্গুলের ডগায় নিয়ে চোখের নিচে কালো দাগে ভালোভাবে মাস্যাজ করুন পাঁচ থেকে ছয় মিনট। আপনি চাইলে এটি ত্বকে সারারাতও রাখতে পারেন আবার ১৫ থেকে ২০ মিনিট রাখার পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে পারেন ।

চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার জন্য ভিটামিন সি যুক্ত ফলের উপকারিতা

একজন মানুষের সুস্বাস্থ্যই তার সব থেকে বড় সম্পদ। ভিটামিন সি আমাদের শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ভিটামিন যা আমাদের শরীরকে সতেজ ও সুন্দর রাখে। এ পৃথিবীতে সবাই সৌন্দর্যের পেছনেই ছুটে। ছেলেমেয়ে ছোট বড় সবাই নিজেকে সুন্দর রাখতে ব্যস্ত। আর আমাদের দৈনন্দন জীবনে ব্যস্ততার জন্য এবং অতিরিক্ত টেনশন ও পর্যাপ্ত না ঘুমানোর জন্য চোখের নিচে কালো দাগ পরে যা আমাদের চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট করে।

ভিটামিন সি যুক্ত ফল হলো-কমলা, মাল্টা, পাতি লেবু, স্ট্রবেরি , বলুবেরি, টমেটো, পেঁপে এই জাতীয় ফলগুলো আমাদের চোখের নিচের কালো দাগ দূর করেও ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। আমাদের প্রতিটা মানুষেরই উচিত ভিটামিন সি , ভিটামিন এ, ভিটামিন বি , আয়রন , ও সকল পুষ্টিগুণ জাতীয় খাবার খাওয়া । 

ভিটামিন সি ফল যুক্ত খাবার গুলো আমাদের শরীরেলে কোলাজোন তৈরির মাত্রা বারায় যা চোখের নিচে পাতলা ত্বক ঘন হয়  যার ফলে চোখের নিচে কালো দাগ দেখা যায় না এবং চোখের নিচের ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। ভিটামিন সি দ্রুত ফল খাওয়ার জন্য চোখের নিচে যে রক্ত সঞ্চালন হয় তার ফলে শরীরের ক্লান্তি ভাব দূর হয় ।

ত্বকের যত্নে মধু ও লেবু ব্যবহার নিয়ম 

একটি পরিষ্কার বাটিতে এক চা চামচ খাঁটি মধু নিন এবং সাথে আধা চা চামচ লেবুর রস নিন। মিশ্রণ দুটি ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ফেসওয়াশ বা শ্যাম্পু দিয়ে ভালোভাবে আগে আপনার মুখমণ্ডল ধুয়ে নিন এবং মুছে নিন এরপর মেশানো মিশ্রণটি হাতের আঙ্গুলের ডগার সাহায্যে মুখে ভালোভাবে মাস্যাজ করুন। চোখ বাদে মিশ্রণটি পুরো মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন এরপর ১০ থেকে ১২ মিনিট রেখে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। এইভাবে সপ্তাহে তিন দিন এই ফেসপ্যাকটি আপনার মুখে ব্যবহার করলে আশা করা যায় চোখের নিচের কালো দাগ অনেকটা কমে যাবে ইনশাআল্লাহ।

মধু ও লেবুর রস তোকে ব্যবহার করার উপকারিতা হল যে মধুতে আছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ এবং লেবুর রসে আছে এসিড এই দুইটার মিশ্রণ একসঙ্গে আমাদের ত্বকের তেল চিটচিটে ভাব ও ব্রণের দাগ বা ব্রণ দূর করে । লেবুতে থাকা ভিটামিন সি ত্বকের কাজে ভাব ও দাগ দূর করে ত্বককে করে আরো উজ্জ্বল। আর প্রাকৃতিক গুন সম্পূর্ণ মধু যা অনেক উপকারী আমাদের শরীরের জন্যে ও আমাদের ত্বকের জন্য। মধু মধু আমাদের ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে নরম করে ও কোমল রাখে।

আপনাদের এলার্জি আছে কিনা সেই বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ যাদের অ্যালার্জি আছে তাদের ত্বকে লেবু দিলে সমস্যা হতে পারে। লেবুতে থাকায় এসিড এলার্জি থাকার কারণে আপনার ত্বকে জ্বালাপোড়া করতে পারে, তাই ব্যবহারের আগে অবশ্যই সামান্য কিছু মিশ্রণ আপনার কানে বা গলায় লাগিয়ে টেস্ট করে নিন ,যে কোন সমস্যা হয় কিনা , যদি সমস্যা হয় তবে এসব থেকে বিরত থাকুন। 

চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার জন্য সিরাম ব্যবহার করার নিয়ম

চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার জন্য সঠিক ছিলাম ব্যবহার করা উচিত। বাজারে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিরামে ভেজালপূর্ণ কেমিক্যাল মিশিয়ে তা ক্ষতিকারক করে তুলেছে। কেমিক্যাল যুক্ত সিরাম আমাদের ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকারক তাই অবশ্যই ছিলাম কেনার আগে তা দেখে কিনতে হবে যে কোন ব্র্যান্ডের। এমন সিরাম কিনতে হবে যে সিরাম আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে এবং চোখের নিচে কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।

চোখের-নিচে-কালো-দাগ-দূর-করার-উপায়

ছিলাম ব্যবহার করার সঠিক নিয়ম হলো যে প্রথমে আপনি ভাল কোন ফেসওয়াশ বা শ্যাম্পু দিয়ে আপনার মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে ও মুছে নিন। দুই চোখের নিচে দুই ফোটা সিরাম দিয়ে হাতের আঙ্গুলের ডগার সাহায্যে আলতোভাবে মাসাজ করুন বেশি চাপ প্রয়োগ করা যাবে না এবং ঘষাঘষি ও ডলাডলি করা যাবে না। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন চোখের ভিতরে সিরাম প্রবেশ না করে । এরপর কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন সিরাম শুকিয়ে যাওয়ার পর ভালো কোন ময়েশ্চারাইজার বা আই ক্রিম ব্যবহার করুন। 

চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার জন্য সবথেকে ভাল সিরাম হল ভিটামিন সি যুক্ত সিরাম। এছাড়াও আরো রয়েছে নিয়াসিনামাইড,হায়ালুরোনিক অ্যাসিডযুক্ত সিরাম যা আমাদের চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে সবথেকে ভালো কার্যকারী সিরাম। সিরাম ব্যবহারের পাশাপাশি অবশ্যই ভালো মানের সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে তা না হলে দাগ তাড়াতাড়ি রিমুভ হবে না।

যে অভ্যাস গুলোর কারণে চোখের নিচে কালো দাগ হয়

চোখের নিচে কালো দাগ পড়ার সর্বপ্রথম কারণ হচ্ছে অপর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম। কর্মজীবনের ব্যস্ততার তাগিদে আমরা রাতে ঘুমাতে দেরি করি যার ফলে আমাদের শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। একজন মানুষের দৈনিক ৬ থেকে ৭ ঘন্টা ঘুমানো উচিত। ভালো ঘুম না হওয়ার জন্য চোখের নিচের ত্বক ফ্যাকাসে হয়ে যায় ও রক্তনালী দেখা যায় যার ফলে চোখের চারিদিকে কালো দাগ হয়। অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করে চোখ ঘষাঘষি বা ডলাডলি করলে চোখের নিচের রক্তনালি ছিড়ে যায় যার ফলে কালো দাগ পরে চোখের নিচে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করলে শরীরে পানি শূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন দেখা দেয় তখন শরীরে ত্বকে আর আদ্রতা ধরে রাখতে পারে না যার ফলে নিষ্প্রাণ দেখায় বা চোখের নিচে কালো দাগ ফুটে ওঠে। সাথে যারা মেকআপ করে এবং রাতে মেকআপ না তুলে ঘুমায় ও মেকআপ ভালোভাবে পরিষ্কার না করে যার ফলে ত্বকের ক্ষতি হয় এবং সেখানে কালসে দাগ পরে।

অতিরিক্ত ধূমপান বা অ্যালকোহল পান করলে ত্বকে রক্ত চলাচল কম করে ও  শরীলের কোলাজেন কোষ নষ্ট হয় যার ফলে  সেখানে কালচে দাগ পরে। চোখের নিচে কালো দাগ এড়াতে এই বদ অভ্যাস গুলো ত্যাগ করা উচিত আমাদের। রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানো উচিত এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা ও কোন এলকোহল বা ধূমপান না করা তাহলে আমাদের স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য ভালো থাকবে।

একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ্কে এক  দিনে  গড় কতটুকু পানি পান করতে হবে 

একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষকে প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে চার লিটার পানি পান করা উচিত। খাদ্য গ্রহণ নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রতি এক কেজি ওজনের জন্য প্রায় ৪০ মিলিলিটার পানি প্রয়োজন। যেমন একজন মানুষের ওজন ৫৫ কেজি তার দৈনিক ২.২ লিটার বা ৯ গ্লাস পানি পান করা দরকার। তবে পুরুষদের জন্য তিন থেকে সাড়ে তিন লিটার পানি পান করা উত্তম আর নারীদের জন্য দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করা উচিত।

মানুষ যে কোন সময় অসুস্থ হতে পারে তাই যেসব বিষয়ের ওপর নির্ভর করে পানি পান করার পরিমাণ কম বেশি হতে পারে যেমন জ্বর বা ডায়রিয়া ও অন্যান্য অসুস্থতায় শরীরে পানির ঘাটতি হতে পারে তখন বেশি বেশি পানি পান করা প্রয়োজন হয় ও স্যালাইন দরকার হয়।

কর্মজীবনে যারা কঠোর পরিশ্রম করে শারীরিকভাবে তাদের পানির চাহিদা বেশি এবং যারা প্রতিনিয়ত ব্যায়াম করে তাদেরও পানির চাহিদা বেশি। গরম কালে শরীরে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ায় যার ফলে তখন পানি পান করতে হয় বেশি এবং শীতকালে ঠান্ডা আবহাওয়ার জন্য তখন শরীরে পানির চাহিদা কম থাকে এবং পানি পান কম করে মানুষ। আপনি আপনার স্বাস্থ্য সম্মত রুটিন ও কাজের ধরন বললে আমি আপনাকে জানাতে পারবো যে আপনার নির্দিষ্ট কতটুকু পরিমাণে পানি পান করা উচিত।

অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারের ফলে চোখের নিচে কালো দাগ

বর্তমান সমাজে আমরা ছোট বড় সবাই মোবাইল ফোনে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্ত বেশি যার ফলে আমরা রাতে বেশি সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় দিয়ে থাকি। রাতে ঘুমানোর আগে আমরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করি যার ফলে চোখের নিচে কালো দাগ পরে কারণ মোবাইল ফোন থেকে আসা আলো সরাসরি আমাদের চোখে লাগে। চোখের উপরে ভালো লাগার ফলে চোখের ওপর ক্লান্তি ও ঘুমের ব্যাঘাত হওয়ার জন্য আমাদের চোখের নিচের রক্তনালী গুলো দৃশ্যমান হয় যার ফলে চোখের নিচে কালো দাগ পরে।

চোখের-নিচে-কালো-দাগ-দূর-করার-উপায়

দীর্ঘক্ষণ ফোনের স্কিনের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে চোখের পেশীতে চাপ পড়ে বেশি এবং রক্ত চলাচলে পরিবর্তন ঘটে। মোবাইল দেখার সময় আমরা চোখের পলক কম ফেলি যার ফলে চোখের পাতা শুষ্ক হয় ও ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এজন্যই চোখের নিচে কালো দাগ পরে। চোখের নিচে কালো দাগ যা আমাদের চেহারায় বার্ধকর ছাপ ফেলে।

অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার না করে নিজের ঘুমের রুটিন বা সময় ঠিক করতে হবে। প্রায়  মিনিট ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর পর ফোনের স্কিন থেকে চোখ সরিয়ে ৩০ সেকেন্ডের জন্য হলেও দূরে কিছু দেখুন যাতে আপনার চোখ ভালো থাকে। ফোনের স্কিনের ব্রাইটনেস কমান ও প্রয়োজনে নাইট মোড ব্যবহার করুন। চোখ আমাদের অমূল্য সম্পদ তাই নিজের চোখকে যত্নে রাখুন মোবাইল ফোন অতিরিক্ত ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

চোখের যত্ন নেওয়ার কিছু কিছু নিয়ম

পর্যাপ্ত পরিমান ঘুম
পুষ্টিগুন সম্পন্ন খাবার খাওয়া 
পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করা 
২০/৩০ মিনিট ফোন বা কম্পিউটার দেখার পর ৩০ সেকেন্ড এর জন্য অন্য কিছুর দিকে তাকান
চোখ অতিরিক্ত ঘষা বা ডলাডলি না করা 
মেকাপ করলে রাতে মেকাপ তুলে ঘুমানো 
অতিরিক্ত রোদে সানগ্লাস ব্যবহার করা 
বছরে ১ বার চোখের ডাক্তার দেখানো
চোখে লেন্স ব্যবহারে সাবধানতা অবব্লমন করা

চোখ সুস্থ না অসুস্থ তার সাধারন কিছু লক্ষণ

আমাদের শরীলের প্রধান অন্যতম একটি  অঙ্গ হলো চোখ।সুস্থ চোখ চিনার কিছু উপায় আছে ।স্পষ্ট দৃষ্টিতে দূরের জিনিস ও কাছের জিনিস কোনো রকম জাপসা ছাড়া স্পষ্ট দেখা।চোখের সাদা অংশ সাদা পরিষ্কার ও চোখের  কর্নিয়ার  হতে হবে স্বচ্ছ ।অতিরিক্ত আলো বা রোদ থেকে এসে কম আলো বা অন্ধকারে তারাতারি মানিয়ে নিতে পারে।চোখে কোনো ধরনের জ্বালা ,ব্যাথা,চুলকানি ও ভারিভাব না থাকা।

অসুস্থ চোখ চিনার কিছু লক্ষন আছে ।ধীরে ধীরে চোখে ঝাপসা দেখা এক জিনিস ২টি করে দেখা ।চোখ বেশি সময় লাল হয়ে থাকা ।চোখ দিয়ে প্রায় সময় পানি পড়া।চোখ অনেক চুলকায় ও জ্বালা করে।অনেক বেশি আলো বা উজ্জলতা ও রঙ্গিন  আলো চোখে ব্যাথা করে ও খারাপ লাগে মাথায়।এর ফলে চোখের মধ্য চিনচিন ব্যাথা করে আর মনে হয় যেনো চোখের মধ্য কিছু আছে যা চোখে আটকে আছে।
চোখের সাদা অংশ হলুদ  হলে বুঝতে হবে জন্ডিস হয়েছে বা লিভারের সমস্যা হয়েছে।
আপনি আপনার চোখ দেখে বুঝতে পারবেন ৭০% যে আপনি সুস্থ না অসুস্থ।তাই সব সময় নিজের চোখের যন্ত নিন। আর বিশেষ করে ফোন বা কম্পিউটার কাজ করলে তখন চশমা ব্যবহার করবেন।আপনার চোখ আপনার কাছে এক অমূল্য সম্পদ।

শেষ কথা ঃ লেখীকার মন্তব্য

নিজেকে সুন্দর ও সুস্থ রাখার জন্য হলে আমাদের সবার উচিত  নিজের যন্ত নেওয়া।চোখের নিচে কালো দাগ আমাদের মুখের সৌন্দর্যো নষ্ট করে। তাই বিশেষ করে আমাদের উচিত নিজের চোখের যন্ত নেওয়া ।কর্মজীবনে ব্যাস্ততার জন্য আমরা নিজেদের যন্ত নিতে পারি না ।তাই রাতে তারাতারি ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে ।ফোন ও কম্পিউটার ব্যবহার করলে চোখে চশমা পড়তে হবে।

সর্বশেষ একটা কথা বলবো যে সপ্তাহে তিন দিন নিজের চোখের কালো দাগ দূর করার জন্য এই ফেচপ্যাকটি দিবেন নিজের সৌন্দর্য প্রতি যন্তবান হন।নিজেকে সুস্থ ও ভালো রাখুন  সব কিছুর আগে ।আমি নিজেও আলুর রস, শসা, মধু ও লেবুর রস ব্যবহার করি এই প্রাকৃতিক উপাদান গুলো সত্যি খুব ভালো যা আমার চোখের নিচে কালো দাগ দূর করছে। এমন সব বিউটি টিপস পেতে কনাজোন এর সাথে থাকুন । 


 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

কনাজোননীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url